
এমন বাথরুম হিটার তৈরি করা দরকার, যা আপনার চোখকে ক্ষতি না করে।
যখন আমরা বাথরুমের জন্য ইনফ্রারেড ল্যাম্প ডিজাইন করি, তখন আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হয়: মানুষরা ঠিক সেই ল্যাম্পগুলোর নিচেই দাঁড়িয়ে থাকে। এটা কোনো শিল্প কারখানার মতো নয়। মানুষরা—আর প্রায়শই অত্যন্ত সংবেদনশীল চোখওয়ালা শিশুরা—ল্যাম্প থেকে মাত্র কয়েক ইঞ্চি দূরেই থাকে।
আসল চ্যালেঞ্জ হলো শুধুমাত্র উষ্ণতা তৈরি করা নয়; বরং এমনভাবে ল্যাম্পটি তৈরি করা যাতে আলোটি চোখকে ক্ষতি না করে।
আলোর সমস্যা
বেশিরভাগ সাধারণ ইনফ্রারেড ল্যাম্পের আলো খুবই তীব্র ও অসহনীয়। এটা অস্বস্তিকর; আর চোখের জন্যও ক্ষতিকর। এটা সমাধান করার জন্য আমরা বিশেষ ফিল্টার বা কোটেড কোয়ার্টজ ব্যবহার করি। এর ফলে UV ও উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সির আলো বাদ পড়ে যায়। ফলে আলোটি মৃদু ও কম উজ্জ্বল হয়। আপনি এখনও আপনার ত্বকে উষ্ণতা অনুভব করতে পারবেন; কিন্তু মনে হবে না যেন আপনি সরাসরি আলোর নিচে দাঁড়িয়ে আছেন।
উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণ
আমরা এগুলোকে 220V-240V ভোল্টেজে চালাই। লক্ষ্য হলো ঘরটিকে দ্রুত উষ্ণ করা; কিন্তু ল্যাম্পটিকে ওভেনে রূপান্তরিত না করা।
আমরা এক ধরনের কোয়ার্টজ গ্লাস ব্যবহার করি; কারণ এটা উষ্ণতাকে সহজেই ভিতর দিয়ে পাঠিয়ে দেয়। যেহেতু উষ্ণতা গ্লাসের ভিতরে আটকে থাকে না, তাই ল্যাম্পটি গরম ও ঠান্ডা হওয়ার সময় ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। ফলে ল্যাম্পটি দীর্ঘসময় ধরে ব্যবহার করা যায়।
কিছু বিষয় মনে রাখা দরকার
এগুলো সহজেই বদলানো যায়; কারণ এগুলোর কানেক্টরগুলো স্ট্যান্ডার্ড। কিন্তু মনে রাখবেন: যেহেতু আমরা তীব্র আলোটি ফিল্টার করে দিই, তাই এগুলো কারখানাগুলোতে ব্যবহৃত ল্যাম্পগুলোর মতো শক্তিশালী নয়। যদি আপনি এগুলোকে উঁচু ছাদযুক্ত ঘরে ব্যবহার করেন, তাহলে উষ্ণতা দ্রুত কমে যাবে। সেক্ষেত্রে ল্যাম্পটিকে একটু নিচে স্থাপন করা ভালো।
আর মনে রাখবেন: আপনার বাথরুমের ভেন্টগুলো ঠিকমতো কাজ করছে কিনা। যদি কোনো জায়গায় অতিরিক্ত উষ্ণতা জমে থাকে, তাহলে লেন্সে জল জমতে পারে। বাতাস চলতে রাখলেই সব ঠিক থাকবে।